ক্রিকেট মাঠে ভারত বনাম পাকিস্তানের খেলা মানেই জম্পেশ এক লড়াই। যে লড়াইয়ে কেউ কাউকে চুল পরিমাণ ছাড় দেয়না কখনো। এবারের টি-২০ ম্যাচেও তারা একে অপরকে বিন্দু পরিমাণ ব্যতিক্রম হয়নি। তার প্রমাণ ভারত বনাম পাকিস্তানের এ-ই হাই ভোল্টেজ ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ায় আয়োজিত ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচে কিং কোহলির ব্যাটের জাদুতে ম্যাচের শেষ ওভারের শেষ বলে নাটকীয় জয় ভারতের
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ক্রিকেট মাঠে আজ (২৩ অক্টোবর) লক্ষাধিক দর্শকদের সামনে দুই চির বৈরী ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের ফল নির্ধারিত হয় ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলে। বিরাট কোহলির ব্যাটের জাদুতে শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ওভারের শেষ বলে নাটকীয় জয় ভারতের এবং এই গৌরবান্বিত জয়ের মধ্য দিয়ে ইনিংসের পরিসমাপ্তি ঘটে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২২ এ হাই ভোল্টেজ ভারত বনাম পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচের শেষ ওভার করতে আসেন পাকিস্তানের বোলার মোহাম্মদ নওয়াজ। জয়ের জন্য তখন ভারতের প্রয়োজন ৬ বলে ১৬ রান।
এই ম্যাচের শেষ ওভারের প্রথম বলেই হার্দিক পান্ডিয়াকে ক্যাচের ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান পাক বোলার নওয়াজ। ছক্কা হাঁকানোর লক্ষ্যে সজোরে ব্যাট চালান হার্দিক। কিন্তু দুর্ভাগ্য বলটি ছক্কা না হয়ে সরাসরি উপরে উঠে যায়। আর সহজেই তা ক্যাচ লুফে নেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। বাবরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে একটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে হার্দিক ৩৭ বলে ৪০ রান করেন। ভারতীয় দলের রান তখন ১৪৪/৫ উইকেট।

এরপর মাঠে নামেন দীনেশ কার্তিক। চলতি ওভারের পরের বলেই সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক এনে দেন কোহলিকে। ওভারের তৃতীয় বলে ২ রান নিয়ে স্ট্রাইক নিজের কাছেই রাখেন ‘কিং কোহলি’। ভারতের জেতার জন্য তখন ৩ বল থেকে রান প্রয়োজন ১৩।


ফিল্ড আম্পায়ারদ্বয় নিজেদের মধ্যে সলা পরামর্শ করে কিছুক্ষণ পরে নো বলের সিগন্যালও দেন। আর তাতেই তুমুল আপত্তি জানান অধিনায়ক বাবরসহ পাকিস্তান ক্রিকেট টিমের সকল ক্রিকেটার। অবশেষে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তটা মেনে নেন বাবরসহ পাক ক্রিকেটাররা। ততক্ষণে ম্যাচের সমীকরণ দাঁড়ায় জিততে হলে ভারতকে ৩ বলে করতে হবে ৬ রান।
নওয়াজ কোহলিকে বিভ্রান্ত করতে এর পরের বলেই কিনা ওয়াইড বল করেন। ভারতের জিততে প্রয়োজন ৩ বলে ৫ রান। পরের বলে নওয়াজ ১০০ এর বেশি গতিতে ইয়র্কার লেন্থের একটি ডেলিভারি দেন। স্পিনের এত দ্রুতগতির বল ব্যাটে সংযোগই ঘটাতে পারেননি কোহলি। ফলে বোল্ড হয়ে যান বিরাট কোহলি।

কিন্তু এই বলে ফ্রি হিটের সুবিধা থাকায় বল সরাসরি স্টাম্পে আঘাত হেনে উইকেটের পিছনে দিয়ে ছুটতেই বিরাট-কার্তিক জুটিও রানের জন্য দৌড় শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত ফ্রী হিট বলে বাই থেকে আসে ৩ টি রান। সেই মুহূর্তে ম্যাচের সমীকরণ দাড়ায়, জিততে হলে ভারতের ২ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২ রান।
পরের বলেই স্ট্রাইক পাওয়া দীনেশ কার্তিককে নাটকীয়ভাবে স্টাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন রিজওয়ান। এর ফলে ম্যাচের সমীকরণ দাঁড়ায় জিততে হলে ১ বলে ভারতকে করতে হবে ২ রান।

এরপর নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। কে পড়বে জয়ের মালা এই নিয়ে মাঠে ও মাঠের বাইরের দর্শকদের মধ্যে তখন একটা শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজমান। এই ম্যাচে জয়ের পাল্লা একবার ভারতের দিকে তো আরেকবার পাকিস্তানের দিকে।
যাহোক, ওভারের শেষ বলটা লেগ সাইডে করেন নওয়াজ। নওয়াজের চালাকি বুঝতে পেরে একটু সরে গিয়ে এই বলেও আরেকটি ওয়াইড আদায় করে নেন অশ্বিন। ভারতের জেতার জন্য তখন শেষ বলে দরকার মাত্র ১ রান। আর শেষ বল থেকে কাঙ্খিত সেই ১রান নিতে কোনোরকম ভুল করেননি রবিচন্দ্রন অশ্বিন।

আর এই জয়সূচক রানের মধ্য দিয়েই পাক-ভারত ক্রিকেট যুদ্ধের অবসান হয়। ফলাফল ৪ উইকেটে জয় পায় ভারত। এই ম্যাচে বিরাট কোহলি ৫৩ বলে অপরাজিত ৮২ রান করেন। এই ম্যাচে ভারতের জয়ের নায়ক কিং বিরাট কোহলি ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।
hello there and thank you for your info – I’ve certainly picked up anything new from right here. I did however expertise some technical points using this site, since I experienced to reload the web site lots of times previous to I could get it to load correctly. I had been wondering if your web host is OK? Not that I am complaining, but sluggish loading instances times will sometimes affect your placement in google and can damage your quality score if ads and marketing with Adwords. Anyway I am adding this RSS to my email and could look out for much more of your respective interesting content. Make sure you update this again soon..