মি. ডিপেন্ডাবল মুশফিকুর রহিম ইতিমধ্যেই টি-২০ থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বাংলাদেশ দলে জায়গা পাবেন কিনা তা নিয়ে আলোচনা চলছে এখনো। টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরন শ্রীরামের অধীনে টি-২০ বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্পিং চলছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ বললেন, রিয়াদ সম্প্রতি তাঁদের প্রত্যাশা পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন রিয়াদ? এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদ সুজন বলেন, তাঁর মতো একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ক্রিকেটারকে হঠাৎ করে ‘না’ বলা যায় না,।
পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে একটি অর্ধশতক পেয়েছিলেন তখনকার অধিনায়ক রিয়াদ। এর পর থেকেই টি-২০ ক্রিকেট সংস্করণে ছন্দপতন হয়ে তাঁর। টি-২০ বিশ্বকাপের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচ খেলে মাত্র ১৬.৫৪ গড় ও ১০২.৮২ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন এ ব্যাটার। এবারের এশিয়া কাপের দু’ ম্যাচে ২০ পেরিয়েছেন বটে, তবে এক ম্যাচে স্ট্রাইক রেট ছিল ৯২.৫৯ এবং অন্যটিতে ১২২.৭২। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন রিয়াদ?
এরকম অফ ফর্মে থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টি-২০ বিশ্বকাপ দলে থাকবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আজ মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের মাহমুদ সুজন বলেছেন, ‘দল ঘোষণার যদিও মাত্র দু’ দিন বাকি আছে, তবে এখনই এর উত্তর দেওয়াটা তাড়াহুড়ো হয়ে যায়। যেহেতু এখনো সে (রিয়াদ) অনুশীলন ক্যাম্পে আছে। সাদা বলের ক্রিকেটে এখনো সে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন রিয়াদ?

টেস্টেও ও খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল, যদিও অবসর নিয়েছে। চিন্তা করেছি, তবে এখনো ফাইনাল সিদ্ধান্ত হয়নি। দল চূড়ান্ত করার সময় এলে সিদ্ধান্ত হবে। তবে এটুকু বলি, রিয়াদ এখনো আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। কথা যে এদিক-ওদিক হচ্ছে না, তা না। রিয়াদ কেন সুযোগ পাবে বা কেন সুযোগ পাবে না—এসব নিয়ে আলোচনা হওয়া ভালো। তেমনি ওর জায়গায় কেউ এলে কেন আসবে, সেটিও আমাদের ভাবতে হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থাকবেন রিয়াদ?
মাহমুদউল্লাহ ২০০৭ সাল থেকে টি-২০ সংস্করণে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ১২১টি ম্যাচ। বাংলাদেশের হয়ে যেটি সর্বোচ্চ। আপাতত মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞতা দল নির্বাচনে বিবেচ্য হবে না। সুজন বলেছেন, ‘যেহেতু এখনো সে এ সংস্করণে খেলে, সে আর দশটা ক্রিকেটারের মতোই। তার অভিজ্ঞতা আছে। তবে এটির ভিত্তিতে আমরা কাউকে আলাদা করছি না। রিয়াদ আমাদের জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ইয়াসির আলী এবং রাব্বির মতো একজনও আমাদের জন্য তেমনই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই জাতীয় দলের চুক্তিবদ্ধ খেলোয়াড়।’
সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজা, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমদের আপনারা যে নাম দিয়েছেন—পঞ্চপাণ্ডব। বাংলাদেশের ক্রিকেটে তাদের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। মুশফিক হয়তো ভেবেছে টি-২০ কে ‘না’ বলার এখনই যথোপযুক্ত সময়। আমি তার ডিসিশনকে সম্মান করি।’
মাহমুদ সুজন যে ৫ জনের কথা বলেছেন, এরই মধ্যে তিনজন টি-২০ থেকে অবসর নিয়েছেন। সাকিবকে নতুন করে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে, এর আগে যেটি পালন করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সম্প্রতি অবশ্য এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার টিম ম্যানেজমেন্টের প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি, সেটি স্বীকার করেছেন সুজন। তবে এরপরই তাঁর পক্ষে কথাও বলেছেন, ‘রিয়াদের এখনো খেলার আগ্রহ ও চেষ্টা আছে। তবে রিয়াদের কাছ থেকে যেটা আশা করি, সেটা পাইনি। অবশ্য ছোট ছোট ইনিংস আছে, একদম নেই তা না। ২৭ বলে ২৭ আছে, ২২ বলে কিছু রান আছে। দিনশেষে বাংলাদেশ দলের জন্য যা প্রয়োজন, আমরা সেটাই করব।’
Không chỉ có nhiều trò chơi thú vị mà sportzfy còn thường xuyên cập nhật các chương trình ưu đãi hấp dẫn. TONY10-13