১ ম্যাচে ২ বার জিতল বাংলাদেশ। নাটকীয় জয় বাংলাদেশের ; বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ জয়ের জন্য শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের দরকার ছিল ১৬ রান। এসময়ে শেষ ওভার বোলিং করতে আসেন মোসাদ্দেক। জিম্বাবুয়ের স্কোরবোর্ডে তখন ১৩৫ রান ৬ উইকেটে। পরের বলে ১ রান আসে। দরকার ৫ বলে ১৫ রান। পঞ্চম বলে বিগ হিট নিতে গিয়ে আফিফের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্রাডলি ইভান্স ২ বলে ২ রান করে সাজঘরে ফিরেন। দরকার ৪ বলে ১৫ রান।

চতুর্থ বলে বাউন্ডারির ফলে আসে ৪টি রান। জিততে হলে প্রয়োজন ৩ বলে ১১ রান। তৃতীয় বলে ওভার বাউন্ডারি মারার ফলে আসে অতি প্রয়োজনীয় ৬টি রান। জিম্বাবুয়েকে এই ম্যাচ জিততে হলে তখনো দরকার ছিল ২ বলে ৫ রান। পঞ্চম বলে সোহানের হাতে দূর্দান্ত স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন…. জিততে হলে জিম্বাবুয়ের তখনো দরকার ছিলো ১ বলে ৫ রান।


বাংলাদেশ দলের জয়োৎসবের মাঝেই লেগ আম্পায়ার থার্ড আম্পায়ারের শরণাপন্ন হোন। রিভিউতে দেখা যায়, বল স্ট্যাম্প পার হবার আগেই সেটা ধরে ফেলেন কিপার সোহান। যা ক্রিকেটের নিয়মের পরিপন্থী। ফলে সেই বলকে নো বল ঘোষণা করে ফ্রি হিট দেয়া হয় এবং জিম্বাবুয়ের স্কোরবোর্ডে ১ রান দেয়া হয়।

ফলে ম্যাচ জয়ের বিশাল আনন্দোল্লাস নিমিষেই ফিকে হয়ে যায় টাইগার শিবিরে। তাছাড়া বোলার মোসাদ্দেক এই ঘটনার কারণে অনেকটাই চাপে পড়ে যান। তাই শেষ বলটি করার আগে অধিনায়ক সাকিবের কাছে পরামর্শ নিতে যান মোসাদ্দেক। ১ ম্যাচে ২বার জিতল বাংলাদেশ
সাকিব আল হাসান নিজেও খানিকটা নার্ভাস থাকলেও মোসাদ্দেককে অভয় দিয়েছিলেন। তখন উল্টো অধিনায়ক সাকিবের নার্ভাসনেস কাটাতে মোসাদ্দেকই সাকিবকে বলেন, আমার বল ব্যাটেই লাগাতেই পারবে না মুজারাবানি এবং ঠিক সেটাই ঘটে। ফলে শেষ ওভারের শেষ বলে নাটকীয় এক ম্যাচে ৩ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগার বাহিনী।


ম্যাচের এমন অবস্থায় পুরোপুরি নার্ভাস থাকা সাকিব আল হাসানকে মোসাদ্দেকের এমন অভয়বাণী প্রদান ও তুমুল আত্মবিশ্বাস অনেকাংশেই স্বস্তি দিয়েছিল। সাকিব বলেন, আমি নার্ভাস ছিলাম। দেখুন, এটা আসলে খুব ভালো একটি খেলা। দুই দলই জয়ের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে। এটা সমর্থকদের জন্য আনন্দের খোরাক যোগাবে।
অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে এর আগে বাংলাদেশ দল টসে জিতে ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে। শান্ত ৭১, আফিফ ২৯ এবং অধিনায়ক সাকিব ২৩ রান করেন। জিম্বাবুয়ের বোলার মুজারাবানি ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং এনগারভা ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট লাভ করেন। পরে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ১৪৭ রান করে ৮ উইকেট হারিয়ে। উইলিয়ামস ৬৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। বাংলাদেশের বোলার তাসকিন ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট, মোস্তাফিজ ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং মোসাদ্দেক ২টি উইকেট লাভ করেন।
Leave a Reply