গত ২৬ জানুয়ারি একটি তালাক নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে বিগত ৭ বছরের সাংসারিক জীবনের ইতি টেনেছেন নব্বই দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। নতুন নতুন সব তথ্য সামনে আসতে থাকে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের পরেই। শাবনূরসহ তিন বিয়ে অনিকের
তবে ঢাকাই সিনেমার গুণী এই অভিনেত্রীর এমন বক্তব্যের পরে স্বামী অনিক মাহমুদ এসব কথাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি, রীতিমতো শাবনূরকে চ্যালেঞ্জও করেছেন। অনিক বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের প্রমাণ না দিতে পারলে শাবনূরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
এ সম্পর্কে শাবনূর আরো বলেন, আমাকে বিয়ে করার পরেও অনিক আয়েশা নামের আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করেন। আয়েশা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এটা আমার মুখের কথা নয়। অনিকের পাসপোর্টই এই তথ্যের যথোপযুক্ত প্রমাণ দেবে।
তারপরেও আমাদের সন্তানের দিকে তাকিয়ে অনিককে কিছুই বলিনি। সংসার টিকিয়ে রাখতে একজন নারী হিসেবে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কিন্তু অনিক সেই চেষ্টা ব্যর্থ করে দিলো।
স্বামী অনিকের এলাকার আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান এবং কাজি অফিস বরাবরও শাবনূরের পাঠানো তালাক নোটিশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। মোঃ নুরুল ইসলাম ও শামীম আহম্মদ নামের দু’জন সাক্ষী রয়েছেন শাবনূরের পাঠানো তালাক নোটিশে। আইনগতভাবে আগামি ৯০ দিন পর তাদের এ তালাক কার্যকর হবে।
I conceive other website owners should take this internet site as an model, very clean and good user genial design and style.